একটি সর্বজনীন নিরাময় নীতিঃ-

একটি সর্বজনীন নিরাময় নীতিঃ-

এ কথা সবাই জানে নিরাময় করার যেসব স্কুল রয়েছে সেগুলো প্রত্যেকেই তাদের রোগমুক্ত রোগীদের তথ্য সংগ্রহ করে রেখে দেয়। আপনার একথা মনে হতে পারে যে কোনো বিশেষ অঙ্গ বা প্রত্যঙ্গ রয়েছে এবং প্রক্রিয়া আছে যা সবার ক্ষেত্রেই কমন। সত্যি তা আছে। সেই প্রত্যঙ্গটি হলো অবচেতন মন এবং নিরাময়ের প্রক্রিয়াটি হলো বিশ্বাস।

আপনি নিশ্চয় জানেন প্রায় সমস্ত রোগের লক্ষণই সাজেশনের মাধ্যমে সম্মোহন করে উৎপন্ন করা যায়। যেমন, সাবজেক্টকে সম্মোহনের মাধ্যমে সাজেশন দিয়ে তার শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়া যায়, সে প্রবল শীত অনুভব করবে, গনগন করবে মুখ। আপনি যদি সম্মোহিত লোকটিকে বলেন সে চলৎশক্তিহীন হয়ে পড়েছে এবং হাঁটতে পারছে না, ঠিক তাই ঘটবে। আপনি এক কাপ ঠান্ডা পানি সম্মোহিত ব্যক্তির নাকে র নিচে ধরে বলুন, ‘এর মধ্যে মরিচ আছে; গন্ধ শোঁকো।‘ সে তখন প্রবল হাঁচি দিতে শুরু করবে। তার হাঁচির কারণ কী? পানি নাকি সাজেশন?

কেউ যদি আপনাকে বলে গোলাপ ফুলে তার অ্যালার্জি আছে, আপনি তাকে সম্মোহন করে প্লাস্টিকের একটি গোলাপ ফুল তার সামনে নিয়ে আসুন। তার সমস্ত শরীর সঙ্গে সঙ্গে অ্যালার্জিতে ফুলে যাবে। এসবই ঘটে অবচেতন মনের কারণে। এ লক্ষণগুলো অবচেতন মন দিয়েই আবার সারানো সম্ভব।

লক্ষ্য করুন আপনার কাটা আঙুল কীভাবে অবচেতন মন সারিয়ে তোলে। সে জানে কাজটা কীভাবে করতে হয়। ডাক্তার ক্ষতে ড্রেসিং করে বলে দেন, এমনিই সেরে যাবে। এই এমনিটা মানে প্রাকৃতিক আর সেটি প্রাকৃতিক আইন তথা অবচেতন মনের আইন। প্রকৃতির প্রথম আইনটি হলো আত্মরক্ষা আর এটি অবচেতন মনের অন্যতম প্রধান কাজ। আপনার সবচেয়ে শক্তিশালী ইন্সটিংক্ট হলো সকল অটোসাজেশনের মধ্যে সর্বাপেক্ষা বেশি জোরালো।

Leave a Comment