সংঘর্ষ – বাংলা মোটিভেশনাল বক্তব্য

সংঘর্ষ – বাংলা মোটিভেশনাল বক্তব্য

সংঘর্ষ

জীবনে risk নিতে শেখো। যদি তুমি জিতে যাও তাহলে তুমি ওই সবকিছুই পেয়ে যাবে যেগুলো তুমি চাও। আর যদি হেরেও যাও তাহলে অনেক কিছু শিখতে পারবে। জীবনে কখনো মন খারাপ করে থাকবে না। কার কখনো কারোর কথায় নিরাশ হবে না। জীবনটা তো হলো একটা সংঘর্ষ। এই জন্যে জীবনে বেঁচে থাকাটাকে কখনো দায়ী মনে করবে না। ওই মানুষগুলোর সামনে সব সময় হাসি-খুশি থেকো যে মানুষগুলো তোমাকে পছন্দ করে না। কেননা তোমার ওই খুশি তাদের বেঁচে থাকতেও মেরে দেবে। লোকের কথা শুনে কখনো নিজেকে কষ্ট দিও না। কিছু লোক তোমাকে কষ্ট দেবার জন্যই জন্ম নিয়েছে। ওই মানুষটার সঙ্গে কখনো কেউ মোকাবেলা করতে পারবে না যার শারীরিক শক্তির সঙ্গে মানসিক শক্তি আছে। ছোট মন থেকে কেউ কখনো বড় হতে পারে না। আর বড় মন থেকে কেউ কখনো ছোট হতে পারে না। মনে রাখবে স্বপ্নটা যদি তোমার হয় তাহলে সেটাকে পূরণ করতে তোমাকেই হবে।  না পরিস্থিতি তোমার সঙ্গে থাকবে। না কোন লোক তোমার সঙ্গে থাকবে। লোক আপনার কথা ততক্ষণ পর্যন্ত বিশ্বাস করবে না যতক্ষণ না আপনার result তাদের হিলিয়ে না দেয়। যে লোক সব সময় নিজেকে বিশ্বাস করে সেই একমাত্র তার লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারে। যদি সত্যিই কাউকে সাহায্য করার ইচ্ছা তোমার মধ্যে থাকে তাহলে রাস্তা ঠিক বেরিয়ে আসবে। লোকের মুখে একটু খারাপ কথা শোনাও জরুরি। যদি সব সময় ভালো কথাই শুনে যাও তাহলে জীবন আগে যাবে কি করে। যদি জীবনে শান্তি চাও তাহলে লোকের কথা নিজের গায়ে লাগানো বন্ধ করো। যদি জীবনে কিছু পেতে চাও তাহলে তোমার কাজের পদ্ধতি পাল্টাও। তোমার স্বপ্ন নয়। বাধা সব সময় তাদের জীবনেই আসে যারা নতুন কিছু করার চেষ্টা করে। অলস লোকেদের জীবনে তো কখনো বাধা আসেই না। কারণ তারা নতুন কিছু করার চেষ্টাই করে না। মনে রাখবে তোমার এই খারাপ সময় এটা হল তোমার সফলতার একটা সিঁড়ি। একটা বড় লক্ষ্যের জন্য কাজ করো তারপর দেখবে যে মানুষগুলো তোমাকে হারাবে তারা সারা জীবন পস্তাবে। যেটা হয়ে গেছে সেটাকে নিয়ে আর ভাবতে নেই। আর যেটা পেয়ে গেছো সেটাকে হারাতে নেই। সফলতা তারাই পায় যারা সময় এবং পরিস্থিতির সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারে। যে জিনিসটা তোমাকে challenge করে। সেই জিনিসটাই তোমাকে change করবে। এটা জরুরী নয় যে আপনার বয়স কত? জরুরী হলো এটা যে আপনার স্বপ্নের বয়স কত? শরীরকে কখনো ক্রিম, পাউডারে নয়। বরং তোমার সফলতা পল্পে পালিশ করে চকচকে করে দাও। জীবনটাকে সহজ নয়। শুধুমাত্র নিজেকে শক্ত করতে হয়। সঠিক সময় কখনো আসে না। সুতরাং সময় টাকেই সঠিক করতে হয়। আয়নার মত হয় আমাদের জীবন। যদি তুমি হাসো তাহলে সেও হাসবে। তোমার পরিস্থিতি যেন এমন না হয় যে তোমার স্বপ্ন পাল্টে যায়। বরং স্বপ্ন এমন দেখো যেন তোমার পরিস্থিতি পাল্টে যায়। জীবনে যদি একবার উপরে উঠতে চাও তাহলে নিচে তো নামতেই হবে। প্রতিদিনের একটা ছোট্ট, ছোট্ট সফলতা একদিন তোমাকে বড় সফলতার চূড়ায় পৌঁছে দেবে। এই সময়টা হল তোমার তাহলে এই সময়টাকে সোনা বানিয়ে নাও। আর যদি না চাও তাহলে এই সময়টাকে শুয়ে শুয়েই কাটিয়ে দাও। যতটা পরিশ্রম তুমি তোমার কাজ টাকে পূরণ করার জন্য করবে। ঠিক ততটাই তোমার জীবন সহজ হয়ে যাবে। আর যতটা ফাঁকি তুমি তোমার কাজে দেবে। ঠিক ততটাই তোমার জীবন কঠিন হয়ে যাবে। আর তার পরেও যদি তোমার ভাগ্য তোমার সঙ্গ না দেয়। তাহলে বুঝে নিও তোমার পরিশ্রম এর ঘাটতি আছে। আলোচনা শেষে শুধুমাত্র একটা কথাই বলবো আমার স্বপ্নটাও জেদি। আর আমার রাস্তাটাও জেদি। এবার দেখাই যাক কাল কি হয়। কারণ আমি হলাম জেদি। ধন্যবাদ। 

Leave a Comment